গাইবান্ধার বাজারগুলো শীতকালীন সবজিতে সেজেছে রঙিন সাজে। সরবরাহ দ্বিগুণ হওয়ায় সবজির দাম আকাশছোঁয়া থেকে নাগালের মধ্যে এসেছে। তবে এতে ক্রেতারা খুশি হলেও উৎপাদন খরচ না ওঠায় হতাশ কৃষক ও বিক্রেতারা।
জেলার কৃষকদের মতে, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি শীতকালীন সবজির উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়ার অনুকূলতায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় সবজির দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে।
সবজি বিক্রি করতে আসা কৃষক রুহুল আমিন জানান, উৎপাদনের খরচই উঠছে না। দাম এত কম যে চাষিদের ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।
পুরাতন বাজারের আড়তদার শামসুজ্জোহা সরকার জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি হওয়ায় ফুলকপি ৩-৫ টাকা ও বাঁধাকপি ৫-৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি কিনতে আসা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা রফিকুল আলম বলেন, শীতের সবজির দাম এখন নাগালের মধ্যে। ক্রেতারা চাইছেন, এমন দাম স্থায়ী হোক।
যদিও সবজির দাম কমেছে, চালের দাম বেড়েছে। মাছ, ডিম, মাংস, তেল ও মসলার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া এবং আবহাওয়ার অনুকূলতার কারণে উৎপাদন ভালো হয়েছে। তবে চাষিরা তাদের কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাচ্ছেন না।
গাইবান্ধার বাজারে সবজির দাম ক্রেতাদের জন্য সুখবর হলেও কৃষকদের জন্য এটি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাষিদের বাঁচাতে ন্যায্য দামের নিশ্চয়তা ও সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনার দাবি উঠেছে।
0 মন্তব্যসমূহ